বগুড়ার শজিমেকহা-এর চিকিৎসকদের ২য় বার লাঞ্ছিত, অপমানিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি — রাষ্ট্রের এ নির্লজ্জ নিষ্ঠুরতা কতকাল চলবে? লিখেছেন ডা. বাহারুল আলম
সভার দাপ্তরিক চিঠি নিয়ে ডাক্তার-কর্মী মহলে তোলপাড় দেখা দিয়েছে। নোটিশটি এখানে দেয়া হল।
এটা ছিল ক্লিন ইভ টিজিং কেস। এই লোক তখন ইভ টিজার, রোগীর এটেন্ডেন্ট নয়। আপনার বোনের সাথে যদি এই আচরন করা হয় আপনি কি দাঁড়িয়ে দেখবেন? লিখেছেন ডা. আহমেদ লিঙ্কন
ইংল্যান্ডে একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতি সপ্তাহে একদিন ছুটিসহ দিনে ৬ ঘন্টা ডিউটি করে !বার্ষিক বেতন গড়ে ৩৫,০০০হাজার পাউন্ড বা ৩৫ লক্ষ টাকা। এ দেশে পৌনে দুলাখ টাকা। লিখেছেন রাহাত আহমেদ , ইন্টার্ন চিকিৎসক , রামেক
২৩ ফেব্রুয়ারী নোয়াখালী সদর হসপিটালের সামনে মানববন্ধন করেছে প্রায় শতাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসক।
কথোপকথনের সময় প্রত্যক্ষদর্শী ইনটার্ন ডা. বনানী ও আসিফ এক রোগীর ফুসফুস থেকে পানি বের করছিলো।
কোন সভ্য দেশে ডাক্তারদের মেরে রক্তাক্ত করা হয়,এমনকি মেয়ে ডাক্তার ও বাদ যায় না?লিখেছেন ডা. মিথিলা ফেরদৌস
আপত্তিকর টিজিং নমুনা হল, " সিস্টার, লেডিস বাথরুম কোথায় ! ( একজন পুরুষের লেডিস বাথরুম খোঁজার কথা নয় ) । ও দিদি, এই রুমের ফ্যান তো ঘুরতেছে না।
সোমবার দুপুর বারো ঘটিকার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা না হলে, জেলা বিএমএ, স্বাচিপ, ডক্টরস ক্লাব, ইচিপ এবং ছাত্রলীগ কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয় এবং ইন্টার্নী চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় ।
মানুষ হও, মানুষ । করার আগে ভাবো, কত বড় পাপটাই না করছো ! নিজের ঈশ্বরের গায়ে হাত তুলছো ! লজ্জ্বা আনো মানুষ, মানুষ হও ।লিখেছেন সুমন হুসাইন , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের সামনে মানববন্ধন করেন কুমিল্লা বিএমএ ও স্বাচিপ নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসকসহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ও নার্সরা।
তবে ১৮০০ সাল নাগাদ ইউরোপে প্রেমিক প্রেমিকেরা এই দিনে পরস্পরকে ফুল ,কার্ড ,চকলেট , ভ্যালেন্টাইন চাবি উপহার দেয়ার রেওয়াজ চালু করে ।লিখেছেন মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ
ডাক্তারদের পেশাজীবি সংগঠন মেরুদন্ডহীন। কথাটা অনেকাংশে সত্য শুধুমাত্র চট্টগ্রাম আর খুলনা বিএমএ ছাড়া। লিখেছেন রাকিব উদ্দিন
ডাক্তাররা কি তবে চিকিৎসাসেবা ও মানবসেবা ত্যাগ করবে । সন্ত্রাসী আক্রমনকারীরা কি সেটাই চায় । ফুলপুরের হামলার পর লেখক ডা. নাসিমুন নাহারের বিক্ষুব্ধ ভাবনা।
মাঘের মিষ্টি রোদে, খুলনা বিএমএ–র চিকিৎসকদের ঘন্টাখানেক চিৎকার । লিখেছেন প্রখ্যাত পেশাজীবী নেতা ডা. বাহারুল আলম
শোভাযাত্রা সমাবেশ করেছে অব্যাহত ডাক্তার নির্যাতন ও ডা. শর্মিষ্ঠা-ডা কাঁকনকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে।
নয়তো এপ্রোন গায়ে জড়ানো কাউকে দেখলেই আব্বুর কোলে থাকা ২ বছরের পিচ্চিও বলে উঠবে, " আব্বু আব্বু! দেকো লোভী কসাই! লিখেছেন এ কে শিকদার , এমবিবিএস শিক্ষার্থী
উদ্দেশ্য একটাই, শতশত রোগীকে বিদেশে পাঠানো। দেশের চিকিৎসা ব্যাবস্থা কে ধ্বংস করে দেওয়া।লিখেছেন শেখ সাইদ-উর-রহমান
একজন প্রফেসর ইমার্জেন্সি পেশেন্ট কল পেয়ে ছুটলেও তাকে রাস্তার জ্যামে আটকে থাকতে হবে। দেরীর জন্য রোগী মারা গেলে রোগীর লোক প্রফেসরের কলার ধরবে। লিখেছেন ডা. মুশতারী মমতাজ মিমি
৮৩ টি স্বীকৃত মেডিকেল কলেজ তন্মধ্যে ২৯ টি পাবলিক আর ৫৪ টি প্রাইভেট।লোভ তৈরীর এতএতগুলো কারখানা এই দেশে।লিখেছেন ডা.মোহাম্মদ নাসিমুল গনি