মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে রাজশাহীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রটের অভিযান প্রমাণ করে স্বাস্থ্য প্রশাসনে এদের কর্তৃত্ব শূণ্যের কোঠায়।লিখেছেন ডা. বাহারুল আলম ।
হাসপাতালে বিজি প্রেসের "টিকেট" চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রহসনের শুরুটা কী এখানেই না? লিখেছেন ডা. রাজীব দে সরকার
একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রধানত বাত-ব্যথা, আঘাত জনিত ব্যথা, প্যারালাইসিস ইত্যাদি) নির্ণয় সহকারে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন।
কিছু ধারা সংশোধন করা দরকার । অন্যথায় বিশৃংখলা সৃষ্টির আশংকা থেকে যায় । লিখেছেন ডা. মুহসিন আব্দুল্লাহ মু
হঠা ৎ কার্ডিয়াক এরেস্ট হলে যিনি তাৎক্ষনিক সি পি আর দিতে পারদর্শী- তিনিও একজন এনেস্থেটিস্ট । লিখেছেন ডা. নিবেদিতা নার্গিস পান্না
দেশের ফার্মেসীগুলোর মধ্যে ৮৫% ই ফার্মাসিস্টবিহীন। এসব ফার্মেসী থেকে জেনেরিক নামের সঠিক ঔষধ কিভাবে পাওয়া সম্ভব রোগীদের? লিখেছেন প্রখ্যাত পেশাজীবী নেতা ডা. মোঃ শাব্বির হোসেন খান
মজ্জাগত অপরাধ চরিত্রের অধিকারী হয়ে অন্যের অপরাধের প্রতিকার করতে গেলে আরেকটা অপরাধের জন্ম হয় – পাথরঘাটার সংসদ সদস্য সে কাজটি করলেন । লিখেছেন ডা. বাহারুল আলম
রোগীস্বজন-ডাক্তার ব্যবহারবিধি নিয়ে পরিমার্জিত করে লিখেছেন ডা. মোঃ শাব্বির হোসেন খান । পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে সুফল মিলবেই।
এদের আবদারের কাছে সত্যি আমরা অসহায়! কি সরকার!! কি সরকারি কর্মচারী!! সত্যি আমরা জনগণ অসহায়!
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের দুই (পাঁচ তারকা!) হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মারাত্মক বিপদের মুখে পড়েছিলেন সাংবাদিক মতি ভাই।
ভদ্রলোকের ছেলে এত বড় হবার কথা না।একটু ধমক দিতেই সত্য বেরিয়ে এল।একশ টাকা দিয়ে আইডি কার্ডের ফটোকপি কিনেছে সে সামনে থেকেই। বুঝলাম দালাল চক্র !লিখেছেন ডা. শিরিন সাবিহা তন্বী
ভোলা সদর হাসপাতালে রোগীর জীবন বাঁচাতে শেষ চেষ্টা হিসেবে জীবন রক্ষার ইনজেশন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু রোগী বাঁচে নি। তার পর ঘটেছে তুলকালাম। ভাংচুর।
প্রসঙ্গ : সিজারিয়ান সেকশন । লিখেছেন ডা. জামান অ্যালেক্স
একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ৩০০ টাকা ভিজিট নেন। লেখা হয়েছে মাত্র "৩০০ টাকা "। অামার প্রশ্ন হল, ৩০০ টাকা মাত্র হয় কিভাবে! লিখেছেন মার্কিন প্রবাসী আহমেদ স্বাতী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, সরকারি সময়সূচি অনুযায়ী চিকিৎসকরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
এই শাস্তিতে কিছু হয় না। জেল জরিমানা শেষে বেরিয়ে এসে আবার এরা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে ব্যবসা জমিয়ে বসে।
সরকার নিয়োগ দিয়েছে তার এক চতুর্থ বা পঞ্চমাংশ। আর সেই জায়গা পুরণের জন্যই জিইয়ে রাখা হচ্ছে এই অমানবিক সিস্টেম। ডিগ্রীর মুলো ঝুলিয়ে বিনেপয়সায় খাটিয়ে শোষণ করা হচ্ছে তরুণ ডাক্তারদের সোনালি সময়। লিখেছেন ডা. মুহসিন আবদুল্লাহ
নজরুল প্রতিবাদ করে শৃংখলিত হয়েছেন।শৃংখলিত অবস্থায় ও শৃংখল ভাঙ্গার গান ই করেছেন।লিখেছেন ডা. শিরিন সাবিহা তন্বী
কয়েক বছর আগে ইউনাইটেড হাসপাতালে ডা: শাম্মীর বাবার মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় শাম্মী ইউনাইটেডে না গিয়ে ল্যাব এইডে গিয়েছিলেন।
কেন পারে না বন্ধু হতে; সে প্রশ্নের ৬টি পয়েন্ট নিয়ে লিখেছেন ডা. আইনুল হক