ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, বেশি আয় করতে (মাসে ১০ লক্ষ টাকার অধিক) চাইলে ডাক্তারি পেশায় রোগীকে সময় সঠিকভাবে দেয়া সম্ভব নয়। যারা বড় প্রফেসর, নামী দামী তারা ৫ হাজার টাকা ভিজিট নিয়ে দৈনিক ১০টা রোগী দেখুন।
ডা সুরেশ তুলসান লিখেছেন, ইদানীং কালে বহুল ভাবে ব্যবহৃত একটি কথায় আমার কান, চোখ, মগজ আর মন যেন ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে। এবং সেই কথাটি হলো ডাক্তার বনাম সাধারণ জনগণ এর মুখোমুখি অবস্থান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। তিনি বলেন, ভারতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা বাংলাদেশের চেয়ে বেশ উন্নত। চিকিৎসা সেবায় দেশটি রোগীদের আস্থা অর্জন করেছে। ধনী লোকেরা থাইল্যান্ড,
মেডিকেল টেস্ট থেকে চিকিৎসকদের কমিশনের ঢালাও অভিযোগ সংসদে নাকচ করলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক
এ প্রসঙ্গে তাহমিলুর রহমান বলেন, ‘আমি যখন ওই ডাক্তারের চেম্বারে যাই তখন সেখানে ৩০-৪০ জন রোগী ছিল, যার মধ্যে গর্ভবতী নারী এবং শিশুও ছিল। অপেক্ষমাণ এত রোগী চট্টগ্রাম শহরের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেম্বারেও দেখা যায় না।
বাংলাদেশের চিকিৎসকদের লোককল্যাণী অনন্য নজির নিয়ে বিদেশে ব্যাপক অভিনন্দন ও আলোচনা হলেও ঢাকাই মিডিয়ায় তা আসে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: বিএসএমএমইউর বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এক অসাধারণ নজি
ডাক্তারদের নজিরবিহীন আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতাল গুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল। কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার একজন আইপিএস কর্তা।
ডা. কামরুল হাসান সোহেল লিখেছেন, মাগুরার মাশুদুল হক, চাঁদপুরের ওমর ,ফারুক, কুমিল্লার মোঃ শরীফ এমন নাম জানা নাম না জানা হাজারো বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত ভুয়া ডাক্তারে ছেয়ে গেছে দেশ। যেই সর্ষে ভূত ছাড়াবে সেই সর্ষেতেই যখন ভূ
৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামে দেবী শেঠির হাসপাতাল ; বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার যমুনা টেলিভিশন এক শিরোনামে ও প্রতিবেদনে জানায় এই খবর।
সারা ভারত জুড়ে এখন চিকিৎসক জাগরণ। সবাই হাসপাতালে নির্বিঘ্নে নিরাপদে রোগী সেবা করতে চান। কলকাতায় হাসপাতালে ট্রাকভর্তি গুন্ডাবাহিনীর হামলার বাড়াবাড়ির পর বিক্ষোভে একাট্টা সারা ভারতের চিকিৎসকরা। তাদের সাথে সামিল সাধারণ মানুষ। সবা
ডা. পরিবহ মুখোপাধ্যায় , সুস্থ হয়ে ওঠো: মরণাপন্ন চিকিৎসকের জন্য সারা পশ্চিমবাংলায় একই আওয়াজ উঠেছে সর্বমহলে। রাজ্য প্রশাসনের কাছে সূধী নাগরিক মহলের দাবি, হামলাবাজ জঙ্গী গুন্ডাদের শাস্তি দিন। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিন। চিকিৎসকদের
সিরিয়াল মতো রোগী দেখার কথা বলামাত্রই তারা মিয়া উপ সহকারী চিকিৎসককে অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে তিনি লুঙ্গি উচিয়ে যৌনহয়রানির হুমকি দেন।
স্ত্রীর আর বাঁচার সম্ভাবনা নেই জেনে তাঁর অঙ্গদান করতে চেয়েছিলেন স্বামী। সেই জন্য শুক্রবার থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় বিভিন্ন স্তরে আর্জিও জানান তিনি। তবে ‘অসহযোগিতা’র জন্য তা-ও সম্ভব হল না বলে সোমবার অভিযোগ করলেন সদ্য
ডা. সাহজাহান সাজু জানাচ্ছেন পঙ্গু হাসপাতালের রোগী উপচানো পরিস্থিতির কথা। পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তাদের সেখানে রোগীর অসম্ভব চাপ। রোগীর অপারেশনের বিশাল লাইন ও সিরিয়াল। এই বছরের পর বছরের রোগীর অপারেশনের সিরিয়াল সামলাতে
ক্লিনিকের দরজা বন্ধ করে স্বামী-স্ত্রীকে পেটাচ্ছিল ডাক্তার পরিচয়ধারী কথিত ফার্মাসিস্ট মো. হেদায়েত উল্লাহ। বিস্ময়ের ব্যাপার হল , এই অপঘটনাতেও বাংলাদেশের মিডিয়ার কর্মিরা দায় চাপিয়েছে ডাক্তারদের ওপর। জনপ্রিয় মিডিয়াগুলো জেনে শুনেই
হৃদরোগের সেরা চিকিৎসা দিতে অনন্য আয়োজন এখন বাংলাদেশের শহর কুমিল্লাতেই। হার্ট অ্যাটাক হলে সিঙ্গাপুর , চেন্নাই কলকাতা , কুয়া লামপুর ছুটছে আনেকেই। সেখানে সেরা চিকিৎসা মিলছে। কিন্তু কুমিল্লার মানুষের অত দূর ছুটে যাওয়ার আর দরকার
ডা. কামরুল হাসান সোহেল লিখেছেন, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। অবকাঠামোগত সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। আধুনিক অপারেশন থিয়েটার আছে, আধুনিক যন্ত্রপাতি আছে, এসি আছে। প্রায় সবকিছু
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, ডাক্তারসহ সকল পর্যায়ের স্টাফরা বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালে অনিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করছেন। এ অবস্থার সমাধান না হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা হুমকির মুখে পড়বে। সেই সাথে বঞ্চিত হবে স
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার ছাদের পলেস্তার ভেঙে পড়েছে। একদল সংঘবদ্ধ লুটকারীর কাজের কুফল ভোগ করছে সাধারণ রোগী ও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবীরা। যেখানে মেলে মানুষের জীবনের নিশ্চয়তা। সেই হাসপাতাল নির্মা
যে কেউ হাসপাতালে ঢুকে গুন্ডামি মাস্তানি করছে। হিরোগিরিতে পেয়ে বসেছে সবাইকে। তার ফল হল এসব ছিচকে গুন্ডামির ঘটনা। রাস্তার গুন্ডাদেরও হিরোগিরিতে পেয়ে বসেছে। ওরা ভাবছে, রাষ্ট্র সরকার তো ডাক্তারদের বিরুদ্ধে । তো এসো সবাই হিরোগিরি